আস সালামু আলাইকুম। আজ মজার একটা রেসিপি আপনাদের শেয়ার করবো। এই রেসিপিটা আমার খুব পছন্দের, আর তাই আপনাদের কাছে রেসিপি নিয়ে চলে এসেছি। চলুন তৈরি করি...
.
![]() |
| দইবড়া |
উপকরণঃ
প্রথম ধাপঃ
কাঁচা মাষকলাইয়ের ডাল- ১ কাপ,
আদাবাটা- ১ চা-চামচ,
রসুনবাটা- ১ চা-চামচ,
কাঁচা মরিচ- ৫ টা,
দ্বিতীয় ধাপঃ
দই - ৬ কাপ
সাদা গোলমরিচের গুঁড়া- ১ চা চামচ,
টালা ধনিয়ার গুঁড়া - ১ চা চামচ,
টালা জিরা গুঁড়া- ১ চা চামচ,
টালা পাঁচফোড়ন গুঁড়া- ১ চা চামচ,
টালা মরিচ গুঁড়া- ১ চা চামচ,
পোস্তদানাবাটা - ১ চা চামচ,
বিট লবণ- ১ চা চামচ,
চিনি -প্রয়োজনমতো,
তেতুলের কাথ- আধা ক্যাপ,
লবণ- পরিমাণমতো,
পুদিনাপাতাকুচি -আধা কাপ,
ধনিয়াপাতা কুচি -২ টেবিল চামচ,
কাঁচা মরিচকুচি- পরিমাণমতো,
আদাকুচি- ২ টেবিল চামচ,
প্রস্তুত প্রণালিঃ
ডাল ৩-৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখবো। এবার জিরা, ধনে, গোলমরিচ, পাঁচফোড়ন ও শুকনো মরিচ আলাদা আলাদা টেলে একসঙ্গে গুঁড়ো করে রাখবো।
তারপর ডাল শিলপাটায় বা ব্লেন্ডারে বেঁটে নিবো।
সামান্য পানি দিয়ে ডাল খুব ভালো করে ফেটিয়ে নিবো, ফেটানো হয়েছে কি না দেখতে, বাটিতে পানি নিয়ে ছোট একদলা ডাল পানিতে ফেলে দেখে নিবো। যদি ভাসে তাহলে আর ফেটাতে হবে না।
এবার, একটি গামলায় ৬ কাপ পানি ও ২ চা চামচ লবণ মেশাবো। তারপর চুলায় কড়াই বসিয়ে তেল গরম করব। এবার চ্যাপটা আকারে বড়া ভাজবো। ভাজা হলে তেল থেকে তুলে লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখবো। এভাবে সব ডালের বড়া ভেজে নিবো।
দই ফেটিয়ে নিবো আর ঘন হলে সামান্য পানি দিয়ে ফেতবো। আর স্বাদমতো লবণ, চিনি ও মসলা মিশিয়ে নিবো।
দইবড়ায় মিষ্টি দই দিলে চিনির পরিবর্তে তেঁতুল দিবো। এবার ,বড়ার পানি নিংড়ে একটা বাটিতে রাখবো আর দই ঢেলে, বড়া ৩-৪ ঘণ্টা দইতে ভিজিয়ে রাখবো। পরিবেশন করার সময় এই দইবড়ার উপর গুঁড়ো মসলা ছিটিয়ে দিবো সাথে পুদিনাপাতা , ধনেপাতার কুচি , তেতুল সস দিয়ে পরিবেশন করবো।

২টি মন্তব্য:
লোভনীয় রেসিপি
Onek moja
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন